গাজীপুর প্রতিনিধি : আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে গাজীপুর জেলার ৫টি সংসদীয় আসনে ৫৩ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করেছিলেন। শনিবার জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং অফিসার মোহাম্মদ আলম হোসেন যাচাই-বাছাই শেষে ১৯ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে। বর্তমানে ৩৪ জন প্রার্থী বৈধভাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতার মাঠে রয়েছেন। বাচাই প্রক্রিয়ায় গাজীপুরের কোনো আসনেই বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কোনো প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল হয়নি।
গাজীপুর-১ (কালিয়াকৈর) আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় টিকে আছেন বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মো: মজিবুর রহমান, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী মো: শাহ আলম বকশী, বাংলাদেশ লেবার পার্টির চৌধুরী ইরাদ আহমেদ সিদ্দিকী, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দলের (মার্কসবাদী) তাসলিমা আক্তার, স্বতন্ত্র প্রার্থী মো: ইমারাত হোসেইন খান এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের রুহুল আমীন।
গাজীপুর-২ আসনে বৈধ প্রার্থী হিসেবে টিকে আছেন বিএনপি মনোনীত প্রার্থী এম মঞ্জুরুল করিম রনি, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত মুহাম্মদ হোসেন আলী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের হানিফ সরকার, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) মো: জিয়াউল কবীর, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দলের (মার্কসবাদী) মাসুদ রেজা, ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশের সরকার তাসলিমা আফরোজ, জাতীয় পার্টির মো: মাহবুব আলম, আমার বাংলাদেশ পার্টির (এবি পার্টি) আব্বাস ইসলাম খান, জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আলী নাছের খান এবং বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দলের (বাসদ) মো: আব্দুল কাইয়ুম।
গাজীপুর-৩ (শ্রীপুর) আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রয়েছেন বিএনপি মনোনীত এস এম রফিকুল ইসলাম বাচ্চু, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম, জাতীয় পার্টির মো: নাজিম উদ্দিন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আলমগীর হোসাইন, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দলের (বাসদ) আশিকুল ইসলাম পিয়াল, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মুহাম্মদ এহসানুল হক, আমার বাংলাদেশ পার্টির (এবি পার্টি) মো; কৌশিক আহামেদ।
গাজীপুর-৪ (কাপাসিয়া) আসনে বৈধ প্রার্থী হিসেবে রয়েছেন বিএনপি মনোনীত প্রার্থী শাহ রিয়াজুল হান্নান, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত সালাহ উদ্দিন আইউবী, ন্যাশনাল পিপলস পার্টির (এনপিপি) মনির হোসাইন, জাতীয় পার্টির এনামুল কবির এবং বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) মানবেন্দ্র দেব।
গাজীপুর-৫ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় টিকে আছেন বিএনপি মনোনীত প্রার্থী এ কে এম ফজলুল হক মিলন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত মো: খায়রুল হাসান, ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশের (আই এফ বি) মো: আল আমিন দেওয়ান, জনতার দলের মো: আজম খান, গণফোরামের মো: কাজল ভ্্ূঞা এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের গাজী আতাউর রহমান।
রিটার্নিং কর্মকর্তার যাচাই-বাছাইয়ের এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে সংক্ষুব্ধ প্রার্থীরা ৫ জানুয়ারি থেকে ৯ জানুয়ারি পর্যন্ত আপিল করতে পারবেন। ১০ জানুয়ারি থেকে ১৮ জানুয়ারি পর্যন্ত আপিল নিষ্পত্তি করা হবে। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ২০ জানুয়ারি। রিটার্নিং কর্মকর্তা চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করে প্রতীক বরাদ্দ করবেন ২১ জানুয়ারি।
নির্বাচনি প্রচারণা শুরু হবে ২২ জানুয়ারি। প্রচার চালানো যাবে ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে সাতটা পর্যন্ত। আর ভোট গ্রহণ হবে ১২ ফেব্রুয়ারি।
