• ব্রেকিংনিউজ: নির্বাচনের জন্য লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি করতে হবে : মির্জা ফখরুল     ::     গাজীপুরে প্রতারনার অভিযোগে চারজনকে আটক করেছে পুলিশ     ::     সাভারের ট্যানারী বর্জ্যের পানিতে স্থানীয়দের দুর্ভোগ চরমে     ::     তাজউদ্দীন মেডিকেল কলেজ অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা     ::     ঐতিহাসিকভাবে রোহিঙ্গারা মিয়ানমারের নাগরিক : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী     ::    
    Law Minister Anisul Haq

    ৩০ জুলাইয়ের মধ্যে পিপি-জিপিদের বকেয়া ভাতা পরিশোধ করা হবে : আইনমন্ত্রী


    image_pdfimage_print

    স্টাফ রিপোর্টার : আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, আগামী ৩০ জুলাইয়ের মধ্যে পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) ও গভর্নমেন্ট প্লিডার (জিপি)-দের বকেয়া ভাতাদি পরিশোধ করা হবে এবং পরে তাঁদের এ ভাতার পরিমাণ বৃদ্ধি করা হবে।

    সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনীর বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, সুপ্রিমকোর্ট বিচারকদের মর্যাদা দেয়ার জন্যই এটা করা হয়েছে। কোনো সামরিক আইন বা প্রধান সামরিক আইন প্রশাসকের কলমের খোঁচায় কোনো বিচারপতির চাকুরি যাবে এরকম যেন বাংলাদেশে না হয় সেটা করার জন্যই ষোড়শ সংশোধনী করা হয়েছিল। তিনি বলেন, আমি মনে করি এটা নিয়ে যে বিতর্ক চলছে তা গণতন্ত্রকে আরো সুদৃঢ় করবে, সমৃদ্ধ করবে।

    মন্ত্রী গতকাল ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় জেলা আইনজীবী সমিতির নবনির্বাচিত কার্যকরী পরিষদের অভিষেক অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন।

    মন্ত্রী বলেন, আদালত অঙ্গনের সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করা, স্বাধীন বিচার ব্যবস্থার সুফল জনগণের মাঝে পৌঁছে দেয়া এবং মানবাধিকার ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করে দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় আইনজীবীদের ভ‚মিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় বেঞ্চ ও বারের সুসম্পর্ক গড়ে তোলার বিষয়েও তিনি গুরুত্বারোপ করেন।

    আইনজীবীদের উদ্দেশে মন্ত্রী বলেন, পেশাগত দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি সামাজিক বিভিন্ন অপরাধের বিষয়েও আপনাদের সতর্ক থাকতে হবে। কারণ আপনারা আইনজীবী হতে পারেন কিন্তু সমাজেরই একজন। বিচার এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার জন্য সামাজিক সম্পর্ক উন্নয়ন খুবই দরকার। সেখানেও আপনাদের অবদান রাখতে হবে। তিনি বলেন, যেখানে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠত হয় সেখানে গণতন্ত্রের দ্রæত বিকাশ ঘটে। তাই আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় আপনাদের ভ‚মিকা রাখতে হবে। বর্তমানে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত হয়েছে বলেই, দীর্ঘ ৪৪ বছর পর আজ আমরা মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার হতে দেখছি এবং আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখে আইনের খুঁটিনাটি প্রক্রিয়া শেষ করে দেশের সর্বোচ্চ আদালতে তাদের বিচার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হচ্ছে। মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারের মাধ্যমে ’৭৫ পরবর্তী ঈঁষঃঁৎব ড়ভ ওসঢ়ঁহরঃু বা বিচারহীনতার সংস্কৃতি থেকে আমরা বেরিয়ে আসতে সক্ষম হয়েছি।

    অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে পাবর্ত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি র আ ম উবায়দুল মোক্তাদির চৌধুরী, ব্রাহ্মণবাড়িয়া সমাজ সেবা প্রকল্প সমন্বয় পরিষদের সভাপতি আল মামুন সরকার, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জেলা ও দায়রা জজ মো. ইসমাঈল হোসেন, জেলা প্রশাসক ড. মো. মোশারফ হোসেন এবং চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. মনির কামাল বক্তব্য রাখেন।