• ব্রেকিংনিউজ: ইসির অধিনেই নির্বাচন, শেখ হাসিনা সরকার সহায়ক : ওবায়দুল কাদের     ::     বাঙালি জাতির প্রতিটি মহৎ, শুভ ও কল্যাণকর অর্জনে আওয়ামী লীগের ভূমিকা রয়েছে : শেখ হাসিনা     ::     ঈদে ওয়ালটন ফ্রিজ, টিভি, হোম অ্যাপ্লায়েন্সেস বিক্রির ধুম     ::     জিসিসি মেয়রের চেয়ারে অধ্যাপক এম এ মান্নান     ::    
    10_01_2017-Uttara-Unv1

    বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে গবেষণার চর্চা নিশ্চিত করতে হবে : শিক্ষামন্ত্রী


    image_print

    বিডিওয়ার্ল্ড২৪ ডটকম রিপোর্ট : সবার জন্য শিক্ষা নিশ্চিত করার পাশাপাশি লক্ষ্য রাখতে হবে শিক্ষা যেন মানবীয় উন্নয়নের সূচক হয়। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে গবেষণার সুযোগ সম্প্রসারণ করে গবেষণার চর্চা নিশ্চিত করার আহবান জানান শিক্ষামন্ত্রী নূরুল ইসলাম নাহিদ।

    সোমবার উত্তরা ইউনিভার্সিটির পঞ্চম সমাবর্তন অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে শিক্ষামন্ত্রী নূরুল ইসলাম নাহিদ সনদপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের দেশ গড়ার কাজে আত্মনিয়োগ করারও আহবান জানান।

    বিশেষ অতিথি হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক আব্দুল মান্নান বলেন, নতুন প্রজন্মকে মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস জানাতে হবে। আগুন সন্ত্রাসের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত ইতিহাস মুছে ফেলা যাবে না।

    সমাবর্তন বক্তা প্রফেসর অ্যামেরিটাস ড. আনিসুজ্জামান উচ্চ শিক্ষাকে নাগরিক অধিকার বলার সুযোগ নেই মন্তব্য করে বলেন, প্রাথমিক পর্যায়ের শিক্ষা নাগরিক অধিকার, উচ্চশিক্ষায় কেবল মেধাবীদের অধিকার। মেধা ও যোগ্যতা না থাকলে উচ্চশিক্ষা নেয়ার আশা বিড়ম্বনা মাত্র। তিনি বলেন, বাংলাদেশে উচ্চশিক্ষার যত চাহিদা, উচ্চশিক্ষিতের তত চাহিদা নেই। তিনি গ্রাজুয়েটদের উদ্দেশে আরও বলেন, আজীবন বিদ্যাচর্চার জন্যে নিজেদের প্রস্তুত রাখতে হবে। নিজের প্রতি, দেশের প্রতি যে কর্তব্য রয়েছে তা পালন করতে হবে।

    উত্তরা ইউনিভার্সিটির উপাচার্য প্রফেসর ড. এম. আজিজুর রহমান বলেন, গ্রাজুয়েটরা যে জ্ঞান অর্জন করেছে তা দেশের সর্বাঙ্গীন কল্যাণে ব্যয় করতে হবে। ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত দেশ গড়ার দায়িত্ব তাদেরই। সত্যনিষ্ঠ, সহানুভূতিশীল, মানুষের প্রতি শ্রদ্ধা, ও সমাজের প্রতি দায়বদ্ধ থেকে দেশপ্রেমে উজ্জীবিত হতে হবে।

    উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. ইয়াসমীন আরা লেখা বলেন, কঠোর পরিশ্রম, দক্ষতা, নিষ্ঠা, একাগ্রতা, সৃজনশীলতা এবং সততার মাধ্যমে ভবিষ্যৎ বাংলাদেশ বিনির্মাণে নতুন গ্রাজুয়েটরা অগ্রণী ভূমিকা রাখবে বলে প্রত্যাশা করি। তিনি আরও বলেন, উত্তরা ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থী থাকাকালে যেভাবে মুক্তচিন্তা ও সংস্কৃতি চর্চায় মনোনিবেশ করেছো আগামীতেও সুকুমার মনোবৃত্তি চর্চায় অবশ্যই শেকড় সন্ধানী হবে। সকল অশুভ শক্তির সঙ্গ ছেড়ে গড়ে তুলবে বাংলার আবহমান সাংস্কৃতিক সেতুবন্ধন।

    সমাবর্তন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রে বরেণ্য ব্যক্তিবর্গ, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও অতিথিবৃন্দ। আরও উপস্থিত ছিলেন উত্তরা ইউনিভার্সিটির ট্রেজারার প্রফেসর মমতাজ বেগম, রেজিস্ট্রার কাজী মহিউদ্দীন, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর এ কে এম মোজাম্মেল হক এবং বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভাগীয় চেয়ারম্যান, শিক্ষক, কর্মকর্তা, ছাত্র-ছাত্রী ও কর্মচারীবৃন্দ।

    সমাবর্তনের তৃতীয় পর্বে উত্তরা ইউনিভার্সিটি কালচারাল ক্লাবের সদস্যদের অংশগ্রহনে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশিত হয়।