• ব্রেকিংনিউজ: তাপদাহে আবারো গাজীপুরে পোশাক কারখানার চার শতাধিক শ্রমিক অসুস্থ্য     ::     মুক্তিযুদ্ধে কবি নজরুলের গান ও কবিতা ছিল প্রেরণার উৎস : ধর্মমন্ত্রী     ::     সরকারের দেয়া জমির দখল না পাওয়ায় কুড়িগ্রামে ১৪৯ রিফুজি পরিবারের মানবেতর জীবনযাপন     ::     আসন্ন ঈদে বিআরটিসি’র নয়শত বাস প্রস্তুত     ::     জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১১৮তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে সরকারি কর্মসূচি     ::    
    10_01_2017-PM

    বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস পালন


    image_print

    স্টাফ রিপোর্টার : যথাযোগ্য মর্যাদায় মঙ্গলবার সারাদেশে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস পালিত হয়েছে। কর্মসূচীর মধ্যে ছিল বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে সর্বস্তরের মানুষের শ্রদ্ধা নিবেদন, স্মৃতিচারণ, আলোচনা সভা, দোয়া মাহফিল।

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মঙ্গলবার সকালে ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘরের সামনে জাতির পিতার প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে তাঁর প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে প্রধানমন্ত্রী স্বাধীনতার মহান স্থপতি বঙ্গবন্ধুর স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধার নিদর্শন হিসেবে কিছু সময় নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন। পরে কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দকে সঙ্গে নিয়ে আওয়ামী লীগ সভানেত্রী হিসেবে শেখ হাসিনা বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এরপর প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু ভবনের ভেতরে যান এবং সেখানে বেশ কিছুক্ষণ সময় অতিবাহিত করেন।

    বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদনকালে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে অন্যান্যের মধ্যে আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য আমির হোসেন আমু, তোফায়েল আহমেদ, প্রেসিডিয়াম সদস্য বেগম মতিয়া চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য মোজাফফর হোসেন পল্টু, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির নানক, আইন বিষয়ক সম্পাদক আব্দুল মতিন খসরু, শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হাবিবুর রহমান সিরাজ, ত্রাণ ও সমাজ কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী, সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক অসীম কুমার উকিল, সাংগঠনিক সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, একেএম এনামুল হক শামীমসহ দলের সহযোগী-সংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

    এছাড়া দেশের জেলা উপজেলাসহ বিভিন্ন স্থানে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষ্যে নানা কর্মসূচী পালন করা হয়।

    সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আওয়ামী লীগের জনসভা : জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের বার্ষিকীতে মঙ্গলবার বিকেলে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আওয়ামী লীগের উদ্যোগে জনসভার আয়োজন করা হয়। জনসভায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের পরই দেশের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড থেমে যায়। তিনি বলেন, যুদ্ধের ভয়াবহতা কাটিয়ে বাংলাদেশের মানুষ যখন স্বপ্ন দেখতে শুরু করে তখনই ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করা হয়। আর এরপর যারাই ক্ষমতায় এসেছে, নিজেদের আখের গোছানোই ছিল তাদের একমাত্র লক্ষ্য ছিল। তিনি আরো বলেন, পঁচাত্তরের পর যারা ক্ষমতায় এসেছে, তারা কখনো জাতিকে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে দিতে চায়নি। কারণ তাদের দেহ এ দেশে থাকলেও মন পড়ে থাকত পাকিস্তানে।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, সোহরাওয়ার্দী মাঠ থেকে দেশ স্বাধীনের ভাষণ দিয়েছিলেন বঙ্গবন্ধু।  পাকিস্তানের হানাদার বাহিনী এই উদ্যানে আত্মসমর্পণ করে।  শেখ হাসিনা বলেন, বঙ্গবন্ধু বেঁচে থাকলে ২৫-৩০ বছর আগেই বাংলাদেশ উন্নত-সমৃদ্ধশালী দেশে পরিণত হতে পারত, সবাই সুখে শান্তিতে জীবনযাপন করতে পারত।

    বাংলাদেশ স্বাধীনতা অর্জনের পর পাকিস্তানের অন্ধকার কারাগার থেকে মুক্ত হয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান প্রথমে লন্ডন ও পরে দিল্লী হয়ে ১৯৭২ সালের এই দিনে স্বদেশের প্রিয় মাটিতে ফিরে আসেন।