• ব্রেকিংনিউজ: চলে গেলেন ওয়ালটন গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান এস এম নজরুল ইসলাম     ::     বিনম্র শ্রদ্ধায় মহান বিজয় দিবস পালন     ::     গাজীপুরে মহান বিজয় দিবস উদযাপিত     ::     আজ মহান বিজয় দিবস     ::     বাজারে ওয়ালটনের ৩২ ইঞ্চি এলইডি টিভি এখন হট কেক     ::    
    07_08_2016 Mirja Ajam

    পাট ক্রয়ে যেন মানের ব্যত্যয় না ঘটে : মির্জা আজম


    image_pdfimage_print

    বিডিওয়ার্ল্ড রিপোর্টার : বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মির্জা আজম বলেছেন, বেল আকারে পাট কিনলে গুণগত মান অটুট থাকে। আগে খোলা আকারে পাট কেনা হতো, তাতে গুণগত মান নিয়ে সন্দেহ থাকতো।  তাই বেল আকারে পাট কিনতে হবে, যেন গুণগত মানের ব্যত্যয় না ঘটে।

    রাজধানীর দিলকুশায় বাংলাদেশ জুট মিলস করপোরেশনের (বিজেএমসি) কার্যালয়ে রবিবার পাটকলগুলোর প্রকল্প প্রধান, পাট ব্যবস্থাপক এবং হিসাব ব্যবস্থাপকদের নিয়ে এক মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন।  মতবিনিময় সভার বিষয়বস্তু ছিলো- উৎপাদন, পাটক্রয় ও সার্বিক বিষয়।

    এ সময় বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের সচিব এম এ কাদের সরকার, বাংলাদেশ জুটমিলস করপোরেশনের (বিজেএমসি) এর ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান এ কে নাজমুজ্জামান, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম-সচিব মো.মতিউর রহমানসহ বিভিন্ন বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় ও বিজেএমসির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ এ সময়ে উপস্থিত ছিলেন।

    মির্জা আজম বলেন, এখন থেকে বেল আকারে পাট কিনতে হবে।  আগে খোলা ভাবে পাট কেনা হতো। এতে ভালো মানের পাটের মধ্যে খারাপ মানের পাট ঢুকিয়ে দেওয়া হতো।  এতে গুণগত মানের পাট সংগ্রহ নিয়ে সন্দেহ থাকতো। তাই বেল আকারে পাট কিনলে গুণগত মানে নিয়ে কোনো সংশয় থাকবে না।  একই সঙ্গে পাট ক্রয়ে কোনো অনিয়ম আর সহ্য করা হবে না।

    পাট প্রতিমন্ত্রী বলেন, এবছর থেকে পাটকলগুলোতে ফিজিক্যাল ভেরিফিকেশন সম্পন্ন করা হয়েছে।  যাতে বছর শেষে মিলগুলোর কী পরিমাণ সম্পদ আছে বা কি কি সম্পদ নষ্ট হচ্ছে বা কী পরিমান পাট মজুদ আছে তা জানা যাবে।  আগে মিলগুলোর সম্পদের পরিমাণ পরিপূর্ণভাবে জানা সম্ভব হতো না।  এ জন্য পাটকলগুলোতে ফিজিক্যাল ভেরিফিকেশন চালু করা হয়েছে এবং তা অব্যাহত থাকবে।

    তিনি বলেন, এখন থেকে প্রত্যেক পাটকলগুলোকে অর্থ-বছর শেষে আলাদা আলাদা ভাবে তার লাভ-লোকসানের হিসাব বিজেএমসিতে জমা দিতে হবে।  এ কাজটা আগে বিজেএমসি সামগ্রিক ভাবে করত।  এতে সুনিদৃষ্টভাবে বোঝা যাবে কোন মিলের পারফরমেন্স কেমন।

    তিনি আরও বলেন, বর্তমানে বিজেএমসির পাট ক্রয় কেন্দ্র ১৮০টি থেকে ৫৬টিতে নামিয়ে আনা হয়েছে।  বিজেএমসির লোকসান কমাতে সবার সম্মতিক্রমে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।  আগে পাট ক্রয় কেন্দ্র বেশি থাকার কারণে সঠিকভাবে মনিটরিং করা সম্ভব হতো না।  এ কারণে তা কমিয়ে আনা হয়েছে।  পাশপাশি পাট ক্রয়ের ক্ষেত্রে সকল অনিয়ম হ্রাস করা সম্ভব হবে।