• ব্রেকিংনিউজ: তাপদাহে আবারো গাজীপুরে পোশাক কারখানার চার শতাধিক শ্রমিক অসুস্থ্য     ::     মুক্তিযুদ্ধে কবি নজরুলের গান ও কবিতা ছিল প্রেরণার উৎস : ধর্মমন্ত্রী     ::     সরকারের দেয়া জমির দখল না পাওয়ায় কুড়িগ্রামে ১৪৯ রিফুজি পরিবারের মানবেতর জীবনযাপন     ::     আসন্ন ঈদে বিআরটিসি’র নয়শত বাস প্রস্তুত     ::     জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১১৮তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে সরকারি কর্মসূচি     ::    
    17_12_2016 Faridpur Mokta Dibos

    নানা আয়োজনে ফরিদপুর শহর মুক্ত দিবস পালিত


    image_print

    ফরিদপুর প্রতিনিধি : মুক্তিযোদ্ধাদের উদ্যোগে নানা আয়োজনে ফরিদপুর শহর মুক্ত দিবস পালিত হয়েছে। কর্মসূচির মধ্যে ছিল জাতীয় পতাকা উত্তোলন,এক মিনিট নীরবতা পালন শোকযাত্রা, গণকবরে পুষ্পমাল্য অর্পণ ও বিশেষ মোনাজাত।

    শনিবার সকালে শহরের সার্কিট হাউজে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করে বাংলাদেশ লিবারেশন ফোর্স (বিএলএফ) ফরিদপুর জেলা কমান্ডার শাহ মো. আবু জাফর।

    এ সময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মুক্তিযোদ্ধা নাজমুল হাসান নসরু, আব্দুস সালাম লাল, আকরাম হোসেন, জামাল মন্ডল, মামুনুর রহমান, রানা চক্রবর্তী প্রমুখ। পরে শহীদদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করেন মুক্তিযোদ্ধারা।

    এরপর সার্কিট হাউজ চত্বর থেকে একটি শোকাযাত্রা শুরু হয়। শোকাযাত্রাটি শহরের শেখ জামাল স্টেডিয়াম চত্বরের গণকবরে গিয়ে শেষ। সেখানে মুক্তিযোদ্ধারা পুষ্পমাল্য অর্পণ করে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান। পরে শহীদদের রুহের মাগফেরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।

    উল্লেখ্য, ১৯৭১ সালের ১৬ই ডিসেম্বর দেশের মানুষ যখন হানাদার মুক্ত হয়ে বিজয় উল্লাস করছিল তখনও ফরিদপুর পাক-সেনাদের থেকে মুক্ত ছিলনা। অবশেষে ১৭ ডিসেম্বর বিকেলে পুলিশ লাইনে মুক্তিযোদ্ধা ও মিত্র বাহিনীর কাছে পাকিস্তানী বিগ্রেডিয়ার আবরার আত্মসমর্পণ করেন। এ সময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মিত্রবাহিনীর বিগ্রেডিয়ার রাজেন্দ্রনাথ, সাব-সেক্টর কমান্ডার ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট জামাল চৌধুরী,নূর মোহাম্মদ বাবুল, গুলজার আহমদ খান, শাহ মো. আবুর জাফর প্রমুখ। পরে সার্কিট হাউজে বাংলাদেশের পতাকা উড়িয়ে বিজয় উদযাপন করা হয়।

    এর আগে ১৯৭১ সালের ২১ এপ্রিল পাক বাহিনী ফরিদপুর শহর দখল করে নেয়।এ সময় তারা শহরের গোয়ালচামট এলাকার শ্রীঅঙ্গনে কীর্তনরত আট সাধুকে গুলি চালিয়ে নির্মমভাবে হত্যা করে।