• ব্রেকিংনিউজ: জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট নির্বাচন ৩০ ডিসেম্বর     ::     শেখ হাসিনা সরকার আবারও ক্ষমতায় আসবে : নৌ পরিবহন মন্ত্রী     ::     ইতিহাস মুছে ফেলার চেষ্টা করলেও তা মুছে ফেলা যায় না : প্রধানমন্ত্রী     ::     জাতীয় পর্যায়ে এবারও সেরা কর দাতার সম্মাণনা পেলো ওয়ালটন     ::    
    JU GB

    জাবিতে ভর্তি জাতিয়াতিতে আরো ৫ জন আটক


    image_pdfimage_print

    সাভার প্রতিনিধি : জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষায় জালিয়াতিতে জড়িত থাকায় রবিবার ৪ জন আটকের পর সোমবার আরও ৫ জনকে আটক করা হয়েছে। আটককৃতদের পুলিশে দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। এদের মধ্যে চারজন ভর্তিচ্ছু এবং অপর একজন এক ভর্তিচ্ছুর ভাই।

    সোমবার সাক্ষাৎকার দিতে আসলে উত্তরপত্রের লেখার সাথে সাক্ষাৎকারে দেওয়া হাতের লেখার মিল না পাওয়ায় সংশ্লিষ্ট সাক্ষাৎকার বোর্ড চার ভর্তিচ্ছুকে ভর্তির জন্য অনুপযুক্ত ঘোষণা করে প্রক্টর কার্যালয়ে পাঠায়। পরে প্রক্টর কার্যালয়ে জিজ্ঞাসাবাদে তারা জানান, টাকার বিনিময়ে অন্যরা তাদের হয়ে প্রক্সি পরীক্ষা দিয়ে দিলে তারা উত্তীর্ণ হন।

    আটকেরা হলেন-নীলফামারীর সৈয়দপুরের গোলাম মোস্তফার ছেলে নিশাত আহমেদ-এফ’ (আইন ও বিচার বিভাগ) ইউনিটে তিনি ৪৭তম হন। নীলফামারীর সৈয়দপুরের আশিকুর রহমানের ছেলে নাইমুর রহমান-‘ই’ (বিজনেস স্টাডিজ অনুষদ) ইউনিটে তিনি ১২৭তম হন।

    নাঈম সরকার, যশোরের ঝিকরগাছার আবুল কাশেমের ছেলে আশরাফুজ্জামান-তিনি ‘সি’ (কলা ও মানবিকী অনুষদ) ইউনিটে ১৭তম হন।

    গাজীপুরের জয়দেবপুরের হারুনুর রশিদের ছেলে মাহমুদুর রশিদ সৌরভ- তিনি ‘ই’ (বিজনেস স্টাডিজ অনুষদ) ইউনিটে ১৫২তম হন।

    অপরজন হলেন, নিশাত আহমেদের ভাই নাইমুর সরকার। জালিয়াতিতে সহযোগিতা করার অপরাধে তাকে আটক করা হয়।

    প্রক্টর কার্যালয় সূত্র জানায়, আশরাফুজ্জামান ৩ লাখ ত্রিশ হাজার টাকা জালিয়াত চক্রকে দেন। মাহমুদুর রশিদ ভর্তি হওয়ার পর ৫ লাখ টাকা দিবেন বলে চুক্তি করেন জালিয়াত চক্রের সাথে। নাইমুর রহমান ২ লাখ টাকার চুক্তি করেন। এর মধ্যে ১ লাখ টাকা পরিশোধ করেন এবং বাকী টাকা ভর্তির পর দেওয়ার কথা হয়। নিশাত আহমেদ ভর্তির পর পরিশোধ করার শর্তে ৩ লাখ টাকার চুক্তি করেন। নিশাতের ভাই নাইমুর সরকার এসব কাজে নিশাতকে শুরু থেকে সহযোগিতা করেন।

    এ ব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক তপন কুমার সাহা বলেন, ‘আটককৃত পাঁচজন তাদের অপরাধ স্বীকার করেছে। আমরা তাদেরকে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের মাধ্যমে আশুলিয়া থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেছি।