• ব্রেকিংনিউজ: প্রধানমন্ত্রী আট বছর পর ফরিদপুরে যাচ্ছেন, জেলাবাসীর প্রত্যাশার অনেক     ::     এইচটি ইমামের প্রস্তাব : প্রতি বছরের ২৫মার্চ রাতে এক মিনিট নিরবতা পালন করা যেতে পারে     ::     প্রস্তুত সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধ     ::     ফরিদপুরের গণহত্যা-১৯৭১     ::     গরমে শীতল যন্ত্রের চাহিদা বাড়ছে, প্রস্তুত ওয়ালটন     ::    
    17_08_2016 Woman Ministry

    চামড়া শিল্পকে শিশুশ্রম মুক্ত করতে বহুপাক্ষিক ঘোষণা


    image_print

    বিডিওয়ার্ল্ড রিপোর্টার : বাংলাদেশ সরকার ৩৮টি কাজকে ঝুকিপূর্ণ কাজ হিসাবে চিহ্নিত করেছে। তার মধ্যে চামড়া শিল্প অন্যতম। চামড়া শিল্পে নিয়োজিত শিশুরা মারাত্মক স্বাস্থ্য ঝুকিতে থাকে। শিশুশ্রম মানবাধিকারের চরম লংঘন। বাংলাদেশের চামড়া শিল্পকে শিশু শ্রমিক মুক্ত করার জন্য মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের তত্তআবধানে বহুপাক্ষিক এক ঘোষণা স্বাক্ষরিত হয়েছে। এই ঘোষণা স্বাক্ষর করেছে- ইনসিডিন বাংলাদেশ, সাইভ্যাক বাংলাদেশ, আইএলও, শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়, তথ্য মন্ত্রণালয়, উদ্যোক্তা সংগঠনের মধ্যে বাংলাদেশ ট্যানার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিটিএ), লেদার গুডস অ্যান্ড ফুট ওয়্যার ম্যঅনুফ্যাকচারারস এন্ড এক্সপোর্টারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (এল.এফ.এম.ই.এ.বি), সেন্টার অফ এক্সিল্যান্স ফর লেদার স্কিল বাংলাদেশ লিমিটেড (সি.ও.ই.এল), এলটিএসই কমন ফ্যাসিলিটিজ সেন্টার লিমিটেড, ট্যানারি শ্রমিক সংগঠনের পক্ষে ট্যানারি ওয়াকার্স ইউনিয়ন, চামড়া শিশু শ্রমিকদের অবস্থা উন্নয়নে কর্মরত সীপ, বাংলাদেশ জাতীয় মহিলা আইনজীবি সমিতি এবং নারী মৈত্রী।

    চার দফা ঘোষণার মধ্যে অন্যতম হচ্ছে, আমরা সমবেত সরকারি প্রতিনিধি, আইএলও প্রতিনিধি, শিল্প উদ্যোক্তা প্রতিনিধি, শ্রমিক ইউনিয়ন প্রতিনিধি, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থার প্রতিনিধি, সামাজিক নেতৃত্বের প্রতিনিধি, শিক্ষাবিদ প্রতিনিধি এবং শিশু শ্রমিক ও তাদের অভিভাবক প্রতিনিধি-সবাই হাজারীবাগ ঘোষণার মাধ্যমে চামড়া শিল্পকে শিশুশ্রম মুক্ত করার বিষয়ে আমাদের ঐক্যবদ্ধ ও সর্বসম্মত অঙ্গীকার ব্যক্ত করছি।

    বুধবার রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং সেইভেক (সাউথ এশিয়া ইনিশিয়েটিভ টু ইন্ড ভায়োলেন্স এগেইনস্ট চিলড্রেন) এর যৌথ আয়োজনে শিশুশ্রম নিয়ে এক গবেষণার ফলাফল বিশ্লেষণ অনুষ্ঠানে এই ঘোষণা পড়ে শুনানো হয়। মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব নাছিমা বেগমের সভাপতিত্বে এই অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন সেইভেক এর মহাপরিচালক ড. রিনচেন চপেল, সেইভেক এর গভর্ণিংবডির সাবেক চেয়ারম্যান যুগ্মসচিব তাহমিনা বেগম, সেইভেকের বর্তমান গভর্ণিংবডির সদস্য মাসুদ আলী, বাংলাদেশ মহিলা আইনজীবি সমিতির নির্বাহী পরিচালক এড. সালমা আলী, সেইভেকের ন্যাশনাল কো-অর্ডিনেটর যুগ্মসচিব ডা. আমিনুল ইসলাম প্রমূখ। গবেষণা পত্র উপস্থাপন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর ড. কাজী মারুফ ইসলাম।

    সভাপতির বক্তৃতায় নাছিমা বেগম এনডিসি বলেন, চামড়া শিল্পকে শিশুশ্রম মুক্ত করতে হলে আগে তাদের পরিবারকে অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বি করতে হবে। মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় শিশু শ্রমিকদের মায়েদের জন্য বিকল্প কর্মসংস্থানের ব্যাবস্থা করবে। তাদেরকে সেলাই প্রশিক্ষণ এবং সেলাই মেশিন বিতরণের ব্যবস্থা করবে বলে তিনি আশ্বস্ত করেন।